গার্হস্থ্য জীবনের টুকিটাকি

গার্হস্থ্য জীবনের নানান সমাস্যার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সমাধান

১. গ্রীষ্মকালে দুধ যখন তখন ফেটে যায়। দুধ ফুটিয়ে ঠাণ্ডা করে অন্য একটি পাত্রে পানি দিয়ে তার ওপর দুধের পাত্রটি রাখলে দুধ ফাটবে না।

২. মাথায় উকুন থাকলে ঘুমোবার আগে বালিশের ওপর চার-ছ’টা তুলসীপাতা ছড়িয়ে দিলে উকুনের জ্বালা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

৩. পানিতে কিছু পরিমাণ কেরোসিন তেল মিশিয়ে যদি ঘর মোছা যায় তাহলে পিঁপড়ে ও মশার উপদ্রব কম হয় এবং মেঝে মসৃ্ণ থাকে।

৪. চোখের চারিদিকে অনেক সময় কালো কালো দাগ পড়ে যায়। ছোট্ট পাত্রে কাঁচা দুধ দিয়ে সেই কালো দাগের উপর তুলো দিয়ে লাগিয়ে দিতে হয়। এভাবে কিছুদিন লাগালে ঐ কালো দাগ থাকে না।

৫. পেঁপের আঠা ও হলুদের গুঁড়ো দু’টো সমান ভাগে নিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে গায়ে মাখলে যাবতীয় চর্মরোগ সেরে যায়।

৬. মোমবাতি পানিতে ডুবিয়ে নিয়ে জ্বালালে সেই বাতিতে আলো বেশি হয় এবং অনেকক্ষণ জ্বলে।

৭. মাংস তাড়াতাড়ি সেদ্ধ করতে হলে, সেই হাড়িতে গোটা দু’য়েক সুপারি ফেলে রাখলে তাড়াতাড়ি মাংস সেদ্ধ হবে।

৮. বঁটি বা ছুরিতে মরচে ধরলে লেবু দিয়ে অথবা আলুর টুকরো দিয়ে ঘষে দিলে মরচে দূর হয়ে যায়।

৯. যে কোনো কাপড়ে চায়ের দাগ লাগলে দাগের ওপর গ্লিসারিন অথবা দাঁত মাজার পেষ্ট ভালো করে ভিজিয়ে পরের দিন ডিটারজেন্ট সাবান দিয়ে ধুলে দাগ আর থাকবে না।

১০. বাচ্চাদের বুটজুতো দাগ পড়ে নষ্ট হয়। আলুর টুকরো দিয়ে সেই জুতোর ওপর ভালো করে ঘষে তারপর পালিশ লাগালে পালিশ খুব ভালো ধরবে এবং দাগ উঠে যাবে।

১১. গোঁড়া লেবুর চোকলা কাপড়ের ভাঁজে ভাঁজে রেখে দিলে কাপড়ে আর পোকা ধরবে না।

১২. যদি মনে হয় যে জ্বাল দিলে দুধ ফেটে যেতে পারে, তাহলে জ্বাল দেওয়ার আগে কিছু খাবার সোডা মিশিয়ে জ্বাল দিলে দুধ আর ফেটে যাবে না বরং ভালো থাকে।

১৩. শীতকালে মাখন শক্ত হয়ে যায়। সেটা নরম করতে হলে একটা থালায় পানি ঢেলে পানি ফুটিয়ে ফেলে দিয়ে সাথে সাথে মাখনের উপর বাটি উপুড় করে দিলে মাখন নরম হবে, কিন্তু একেবারে গলে যাবে না।

১৪. মাথায় মরা আঁশ বা খুসকি হলে, মাথাতে কয়েকবার কূর্পরের পানি লাগালে এই সমস্ত রোগ ভালো হয়ে যায়।

১৫. প্রত্যেকদিন সকালে খালি পেটে ঈষদুষ্ণ গরম পানিতে অর্ধেক পাতিলেবু নিংড়ে সেই পানি খেলে শরীরটা সতেজ থাকে এবং সারাদিন কাজ-কর্মে উৎসাহ পাওয়া যায়।

১৬. পাতিলেবুর রস দাঁতের গোড়া শক্ত করে। এতে ভিটামিন-সি থাকায় শরীরে ভিটামিন-সি এর অভাব পূরণ করে। এবং নখ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

১৭. পাতিলেবুর রস মেশানো পানিতে মুখমণ্ডল ধুলে মুখের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায়।

১৮. কাপড়ের লোহার দাগ ওঠাতে হলে কিছু লেবুর রস ও লবণ এক সঙ্গে মিশিয়ে দাগের ওপর ঘষলে দাগ উঠে যায়।

১৯. ঘরে বেশি পিঁপড়ে হলে এক গ্লাস পানিতে দোক্তা পাতা ভিজিয়ে সেই পানি পিঁপড়ের গর্তে ঢেলে দিলে পিঁপড়ে আসে না।

২০. অনেক সময় নুন ডেলা ডেলা হয়ে যায়। ডেলা ভেঙে গুঁড়ো করে কড়ায় গরম করে শিশিতে রাখলে ভালো থাকে।

২১. ভেঙে যাওয়া কাঁচা ডিমের কুসুম ঠাণ্ডা পানিতে ডুবিয়ে রাখলে ক’দিন ভালো থাকে। ফ্রিজে রাখলে অন্ততঃ ৭ দিন ঠিক থাকবে।

২২. আদার রসে হিং ভিজিয়ে ফোড়ন দিন। এতে তরকারিতে অনেকটা পেঁয়াজের গন্ধ ও আস্বাদ হয়। যাঁরা নিরামিষ খান, তাঁদের পক্ষে খুব ভাল।

২৩. দুধ ফোটার সময় পাত্রে ভেতরের দিকের কানায় একটু মাখন লাগিয়ে নিলে দুধ উথলে উঠবে না।

২৪. বিস্কুট তাজা ও মচমুচে রাখতে হলে টিনের ভেতর বুটিং পেপার রেখে দিন। বর্ষকালেও বিস্কুট মিইয়ে যাবে না।

২৫. বাটা মশলার পরিমাণ যদি বেশি হয়ে যায়, তাহলে তার সঙ্গে অল্প নুন মিশিয়ে ফ্রিজে রাখলে ভালো থাকবে অনেক দিন।

২৬. তেল ঢালার আগে খালি কড়াই যদি ভালো করে গরম করে নেওয়া হয়, তাহলে সহজে পোড়ার দাগ ধরে না।

২৭. মশলা রাখার তাকে, ছোট কাপড়ের পুঁটলিতে কালো জিরে আর শুকনো লঙ্কা বেঁধে রেখে দিলে সহজে আরশোলা হবে না।

২৮. ফ্রিজের মধ্যে খাবার সোডা এক প্যাকেট রেখে দিলে ফ্রিজের ভেতর আর কোনো গন্ধ হবে না। অথবা একটি লেবু মাঝখানে কেটে কাটা টুকরোদ্বয় ফ্রিজে রেখে দিলে গন্ধ থাকবে না।

২৯. মাছ-মাংস যদি ফ্রিজে বেশি দিন রাখতে হয়, তাহলে ভালো করে চেপে পানি বের করে নিয়ে তারপর প্যাকেটে ভরে রাখলে অনেকদিন ভালো থাকবে।

৩০. বাসনপত্রে যদি মাছের গন্ধ হয়ে যায়, তাহলে কয়েক ফোঁটা ভিনিগার ছিটিয়ে ধুয়ে নিলেই আর গন্ধ থাকবে না।  

৩১. রান্না ঘরে সিল্কের গর্তে একটি পাতলা কাপড় দিয়ে রাখুন। আবর্জনা আটকে যাবে কাপড়ে। পরে তুলে ফেলে দিলেই, সিল্কের পাইপ পরিষ্কার থাকবে।

৩২. বর্ষাকালে নুন গলে যায় প্রায়ই। নুনের মধ্যে কয়েক দানা চাল রেখে দিলে নুন সহজে গলবে না।

৩৩. পোড়া দাগ তুলতে হলে, বেকিং সোডার সঙ্গে খুব অল্প পানি মিশিয়ে পাত্রের গায়ে মাখিয়ে রেখে দিন বেশ কয়েক ঘন্টা। এরপর ধুয়ে নিলেই দাগ উঠে যাবে।

৩৪. রান্না ঘরের নালী যদি তেল-কালিতে বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে ১ কাপ নুন আর ১ কাপ বেকিং সোডা নালীতে ঢেলে এক কেতলি ফুটন্ত গরম পানি ঢালুন। ময়লা গলে যাবে। তারপর পরিষ্কার করে নিন। 

৩৫. দুধ বা ভাতের ফেন উথলে গ্যাস বার্নারে পড়লে, তক্ষুণি নুন ছিটিয়ে দিন। পরে ঠাণ্ডা হলে শক্ত ব্রাশ দিয়ে ঘষে, ভিজে স্পঞ্জ দিয়ে মুছে নিন।

৩৬. মাসের মধ্যে অন্তত দু’বার গ্যাসের বার্নার কিছুক্ষণ কেরোসিন তেলে ডুবিয়ে রাখলে বার্নারের ফুটোয় ময়লা জমবে না।

৩৭. দু’টি কাচের গ্লাস যদি একটার ভেতরে আরেকটা আটকে যায়, তাহলে কখনো জোর করে টেনে খোলার চেষ্টার করবেন না। ভেঙে যেতে পারে। এক্ষেত্রে ওপরের গ্লাসে ঠাণ্ডা পানি ভর্তি করে, নিচের গ্লাসটি গরম পানিতে বসিয়ে রাখুন। তাহলে গ্লাস দু’টি আপনা আপনিই খুলে আসবে।

৩৮. মাছ কুটতে গেলে অনেক সময় কাঁটা বিঁধে যায়। প্রথমে কাঁটা বিঁধার জায়গায় নুন দিন। ব্যথা কমবে। যদি মনে হয় কাঁটা বের হয়নি, তাহলে একটু হলুদ কিংবা হিং গরম করে লাগান। কাঁটা তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসবে।

৩৯. কাঁচা লঙ্কার বোঁটা ছাড়িয়ে রাখলে লঙ্কা তাজা থাকে বেশিদিন।

৪০. পাতলা কাচের বাসন পরিষ্কার করার জন্যে কখনো গরম পানিতে ডোবাবেন না। ফেটে যেতে পারে। ভিনিগার দিয়ে পরিষ্কার করলে বাসন ঝকঝকে থাকবে।

৪১. সরষে বাটলে অনেক সময় তেতো হয়ে যায়। কিন্তু  সরষের সঙ্গে কাঁচা লঙ্কা আর নুন পরিমাণ মতো মিশিয়ে বাটলে সরষে আর তেতো হয়ে যাবে না।

৪২. ফ্রিজে একটা পাতিলেবু টুকরো টুকরো করে কেটে রেখে দিন। ভেতরের যাবতীয় গন্ধ লেবু ঘষে নেবে। ফ্রিজ থাকবে দুর্গন্ধ মুক্ত ও পরিষ্কার।

৪৩. ডাঁটাসহ কিছু ফুল, গাছ থেকে কেটে নিয়ে সেই ডাঁটাসহ ফুলকে অন্ধকার ঘরে রেখে দিলে ফুলগুলো বেশ তাজা থাকবে।

৪৪. রূপোর বাসনের আলমারিতে এক টুকরো কর্পূর রেখে দিলে রূপোর ঔজ্জ্বল্য ও পালিশ-এর কোনো রকম নষ্ট বা বিকৃতি হয় না।

৪৫. কাচের বাসন ভেঙে গেলে ঝিনুক গুঁড়ো করে তার সঙ্গে ডিমের সাদা অংশ মিশিয়ে ভালো করে ফেটাবেন। তারপর সেই ফেটানোটা বেশ পুরু করে ভাঙ্গা জায়গায় লাগিয়ে টুকরোটা বসাবেন। দেখবেন তারপর ঠিক আগের মতোই কাচের বাসনটি ব্যবহার করতে পারবেন।

৪৬. বাড়ীতে জুতোর পালিশ যদি ফুরিয়ে যায় বা না থাকে, তাহলে জবা ফুল হাতে ঘষে তার রস জুতোয় লাগিয়ে তা শুকনো হওয়ার পরে ব্রাশ দিয়ে ঘষলে জুতো চক চকে হয়।

৪৭. শরীরের কোনো জায়গায় আঁচিল হলে, দুঃখের কোনো কারণ নেই। লরি-বিশাখার পাতা নুন দিয়ে ঘসে আঁচিলে লাগালে, তা নষ্ট হয়ে যায়।

৪৮. উইয়ের মাটি ভেঙে হিং-এর জল যদি ঐ জায়গায় দেওয়া যায় তাহলে উই আর ধরবে না।

৪৯. বোলতা বা বিছা কামড়ালে যদি সেই ক্ষতস্থানের ওপর পেঁয়াজের রস লাগানো যায়, তাহলে জ্বালা কমে যাবে।

৫০. বাদামের খোসা ছাড়তে গেলে প্রথমে বাদামগুলো ৫ মিনিট ফুটন্ত পানি দিয়ে রাখুন। এরপর পানি ধরিয়ে নিয়ে দেখুন সহজেই খোসা উঠে আসবে।

৫১. যদি কখনো মাথার সামনের চুলগুলো উঠে টাকের সৃষ্টি হয়, তাহলে কিছু কেশুত পাতার রসের সঙ্গে সমপরিমাণ নারকেল তেল মিশিয়ে মাখলে টাকে চুল গজায়।

৫২. যদি মুখে বা অন্য কোথাও কাটা বা ফোঁড়ার দাগ হয়ে যায়, তাহলে জিঙ্ক এবং ইউক্যালিপটাস পাতা এক সঙ্গে মিশিয়ে প্রলেপ তৈরি করে ঐ দাগের ওপর প্রতিদিন দু’বার করে লাগালে দাগ ভালো হয়ে যায়।

৫৩. নখকুনি বা কুনিনখ হলে কাঁচা হলুদের সঙ্গে তুঁতে পোড়া তিন রতি এবং সামান্য সোহাগার খই একসঙ্গে মিশিয়ে লাগালে নখকুনি ভালো হয়ে যায়।

৫৪. দেহে কোথাও আঁচিল হলে কিছু পরিমাণ হিংচে শাক এবং চন্দন বেটে প্রলেপ তৈরি করে আঁচিলের ওপর বার বার লাগালে আঁচিল ভালো হয়ে যায়।

৫৫. কখনো যদি জিভে ঘা হয়, তাহলে কিছু কর্পূর পানির সঙ্গে ভালো করে গুলে জিহবা ভালো করে ধুলে জিভের ঘা ভালো হয়ে যাবে।

৫৬. হিংচে শাক চোখের পক্ষে খুব ভালো। মাঝে মাঝে ঐ শাক খাওয়া উচিত। পেঁয়াজ মিশিয়ে ঐ শাক সুপ করে খেলে টনিকের মতো কাজ করবে।

৫৭. কাটা/ছাড়ানো নারকোল বেশিদিন ভাল রাখতে হলে ঝুঁটিটা ওপরের দিকে ঘুরিয়ে রাখবেন।

৫৮. ফার্নিচারের দাগ পড়া জায়গায় পরিষ্কার ছোট ন্যাকড়া দিয়ে স্পিরিট লাগিয়ে শুকনো ন্যাকড়া দিয়ে মুছে দিলে দাগ উঠে যাবে।

৫৯. নারকোল যদি দুটো সমান ভাঙতে হয়, তাহলে ভাঙার আগে ঠাণ্ডা পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রাখতে হয়।

৬০. এমব্রয়ডারি করা কাপড়ের উল্টো দিকে ইস্ত্রি করলে ডিজাইন, রং আর ফুলগুলো ভালো থাকবে।

৬১. বালিতে ঢুকিয়ে রাখলে আদা শুকাবে না।

৬২. ভাত খেয়ে বদহজম হলে, যোয়ান ও লবণ খেলে উপকার পাওয়া যায়।

৬৩. ডাল খেয়ে বদহজম হলে, যোয়ান ও লবণ খেলে উপকার হয়।

৬৪. মাছ খেয়ে বদহজম হলে, কাজি পান খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৬৫. মাংস খেয়ে বদহজম হলে, যোয়ান ও লবণ খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৬৬. পিঠে খেয়ে বদহজম হলে, বেশি করে ঠাণ্ডা পানি খেলে উপকার হয়।

৬৭. পায়েস খেয়ে বদহজম হলে, কাঁচা মুগ ডাল খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৬৮. নারকোল খেয়ে বদহজম হলে, চাল খেলে উপকার হয়।

৬৯. দুধ খেয়ে বদহজম হলে, ঘোল খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৭০. খিচুড়ি খেয়ে বদহজম হলে, হরিতকী খেলে উপকার হয়।

৭১. কুল খেয়ে বদহজম হলে, হরিতকী খেলে উপকার হয়।

৭২. কুল খেয়ে বদহজম হলে, কাঁঠাল বিচি বা কলা খেয়ে উপকার পাওয়া যাবে।

৭৩. কাঁঠাল খেয়ে বদহজম হলে, কাঁঠাল বিচি বা কলা খেয়ে উপকার হয়।

৭৪. তাশ শাঁস খেয়ে বদহজম হলে, চাল খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৭৫. ঘি খেয়ে বদহজম হলে, গোঁড়া লেবু খেলে উপকার হয়।

৭৬. তেলেভাজা খেয়ে বদহজম হলে, যোয়ান ও লবণ খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৭৭. মাখন খেয়ে বদহজম হলে, ত্রিফলার জল পান করলে উপকার হয়।

৭৮. লুচি খেয়ে বদহজম হলে, যোয়ান খেলে উপকার হয়।

৭৯. তেঁতুল খেয়ে বদহজম হলে, যোয়ান খেলে উপকার পাওয়া যাবে।

৮০. প্রতিদিন সকালে নিয়মিত নিমপাতার রস খেলে কৃমি ভালো হয়, অথবা প্রতিদিন সকালে নিয়মিতভাবে চিরতার পানি সেবন করলেও ভালো ফল পাওয়া যায়।

৮১. আম গাছের ছালের রস নিয়মিত পান করলেও কৃমির হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

৮২. যেসব মহিলাদের অকালে রজঃ রোদে মাথায় যন্ত্রণা হয়, তাঁদের ১০ গ্রাম মতো সর্ষে বেটে ২ বালতি গরম পানিতে গুলে চৌবাচ্চার পানিতে সঙ্গে মিশিয়ে কোমর পর্যন্ত ডুবিয়ে ১৫-২০ মিনিট বসে থাকতে হবে অথবা গাজর ফল ১৫০ গ্রাম করে বেটে দিনে ২-৩বার পানি দিয়ে কয়েকদিন খেলে ঋতু (মাসিক) পরিষ্কার হয়।

৮৩. কার্তিক মাসে অতি অল্প খেতে হয়। কারণ এই মাসে অতিরিক্ত খেলে বায়ু, পিত্ত, কফ বৃদ্ধি পায়।

৮৪. মুড়ি, মধু ও ঘি খেলে পানি খেতে নেই। ভরা পেটে ঘি খেতে নেই। অম্বলের রোগ হয়।

৮৫. তাল ও কলা একসঙ্গে খেতে নেই। এতে ক্রিমির বৃদ্ধি হয়।

৮৬. মাছ, মাংস, দুধ একপাতে বসে খাওয়া উচিত নয়।

৮৭. কাঁঠালী কলা খুবই গুণ সম্পন্ন। বাড়ির ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে এবং বড়দেরও পেটে যদি ক্রিমি থাকে, তাহলে যে কোনো ঔষুধ খাইয়ে, ক্রিমি বের করে নিবেন। তারপর প্রতিদিন সকালে খাটি পেটে একটি করে কাঁঠালী কলা লবণ সহযোগে সাতদিন সেবন করলে মৃত্যুর আগের দিন পর্যন্ত ক্রিমি রোগ থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

৮৮. কচু সেবনে শরীরের দুর্বলতা দূর হয়। মানকচু, সাদাকচু, বিষকচু ইত্যাদি নানা রকমের কচু রয়েছে। কচুয় পরিমাণ মতো জিরা, গোলমরিচ ও কাঁচা ছোলা দিয়ে রান্না করে এক কাপ পরিমাণ নিয়ে, মুড়ির সঙ্গে সেবন করলে ক্লান্তি দূর হয় ও কর্মকক্ষমতা ফিরে আসে।

যোগাযোগ

০১৭১৬-৩৮৬৯৫৮

What do you think?

0 points
Upvote Downvote

Comments

Leave a Reply

Loading…

0

Comments

0 comments

মহিলাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কতিপয় নসিহত

সাহাবা করা?