তওবা কবুল হওয়ার আমল

প্রথম আমল

হালাল অর্থ দ্বারা কাপড় কিনে একটি জামা তৈরি করে কোন চান্দ্রমাসের শেষ বৃহস্পতিবার ঐ জামাটি পরিধান করে দু’রাকআত শোকরানা নামায আদায় করবে। অতঃপর নিম্নলিখিত পবিত্র আয়াত শরীফ যয়তুন এবং চামেলীর তৈল কালির সাথে সংমিশ্রণ করে কোন একটি কাচের পাত্রে লেখবে। তারপর গোলাপ পানি দ্বারা তা ধৌত করত এ পানি ও তেল সমস্ত শরীরে মালিশ করবে। এরূপ একাধারে সাত দিন করলে অবশ্যই আল্লাহ তা’য়ালা কৃত অন্যায় ও অপরাধমূলক কাজের জন্য মনে ধিক্কার জন্মিয়ে দিবেন এবং তজ্জন্য অন্তরে খাঁটি তওবা করার প্রবল আগ্রহ সৃষ্টি হবে। আয়াত শরীফ এই-

يَبنى ادم قد انزلنا عليكم لباسا يوارى سواتكم وريشا٠ ولباس التقوى ذلك خير٠ ذالك من ايت اللٰه لعلهم يذكرون٠

উচ্চারণঃ ইয়া-বানী আ-দামা ক্বাদ আনযালনা আলাইকুম লিবা-সাই ইউওয়া-রী সাওআ-তিকুম ওয়া রীশা; ওয়া লিবা-সু ত্তাক্বওয়া যালিকা খাইরুন, যালিকা মিন আ-য়া-তিল্লা-হি লাআল্লাহুম ইয়াযযাক্বারুন।

দ্বিতীয় আমল

যার হৃদয় পাপে আচ্ছন্ন হয়ে গেছে, অত্যধিক পাপ করার পরেও যার মনে কোনরূপ অনুতাপ আসে না, অনুশোচনার উদয় হয় না, সে ব্যক্তি নিম্ন আয়াত শরীফ বর্ণিত নিয়মে আমল করলে আল্লাহ তা’য়ালা তার হৃদয়ে অনুশোচনা এবং তওবা করার স্পৃহা সৃষ্টি করে দিবেন। আর এমতাবস্থায় তওবা করলে আল্লাহ তার তওবা কবুল করবেন। আয়াত শরীফ এই-

ولقد اتينك سبعا من المثانى والقراٰن العظيم٠ لا تمدن عينيك الى ما متعنا به ازواجا منهم ولا تحزن عليهم واخفض جناحك للمؤمنين٠

উচ্চারণঃ ওয়া লাক্বাদ আ-তাইনাকা ছাব’আম মিনাল মাছা-নী ওয়াল কোরআনাল আযীম। লা- তামুদ্দান্না আইনাকা ইলা- মা- মাত্তা’ না বিহী আযওয়াজাম মিনহুম ওয়ালা- তাহযান আলাইহিম ওয়াখফিদ জানা-হাকা লিলমু’মিনীন।

এক হাজার বার তওবা ইস্তেগফার পাঠ করে রাত্রে নিদ্রা যাবে। সুবহে সাদেকের সময় জাগ্রত হয়ে দু’রাকাত নফল নামায আদায় করে আবার একশ’ বার তওবা ইস্তেগফার পড়বে। তারপর উপরোক্ত আয়াত শরীফ সাত বার পাঠ করে বৃষ্টির পানিতে একটি ফুঁক দিবে। ঐ পানি পর পর সাত দিন পান করবে।

মো: নজরুল ইসলাম, ০১৭১৬-৩৮৬৯৫৮

ধাতু দুর্বলতার চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন

আপনার সন্তানকে ইসলামী জ্ঞান শিক্ষা দিন

What do you think?

0 points
Upvote Downvote

Comments

Leave a Reply

Loading…

0

Comments

0 comments

আয়াতে শিফার আমল ও তদবির

আমালিয়াত শেষ অংশ