in

৩০ যাদুকরি গুণ

জীবনের অতি প্রয়োজনীয় কয়েকটি যাদুকরি গোপন তদবির

১. ছেলে মেয়ের গলায় বামন হাটির মূল বাঁধিয়া দিলে দুষ্টমী করিবে না।

২. ত্রিশুল মূল অঙ্গে ধারন করিলে জ্বিন ভূতের দৃষ্টি হতে রক্ষা পাওয়া যায়।

৩. ত্রিশুল মূলকে তাবিজ বানাইয়া সঙ্গে রাখিলে ব্যবসা-বানিজ্যে প্রচুর লাভ হয়।

৪. সূর্য গ্রহণের সময় শ্বেত ধুতরার মূল সংগ্রহ করিয়া কোমরে অথবা হাতে তাবিজ হিসাবে ব্যবহার করিলে শত্রু চিরদিনের জন্য বন্ধু হইয়া যায়।

৫. কুঁচ ছিদ্র করিয়া কালো সুতা দ্বারা গলায় পরাইলে ছেলে মেয়ের স্বরণ-শক্তি  বৃদ্ধি পায়।

৬. পুষ্য নক্ষত্রে মুথা ঘাসের শিকড় তুলিয়া আনবেন। তারপর এই শিকড় মুখের মধ্যে রাখিয়া যার নাম উচ্চারণ করিবেন সঙ্গে সঙ্গে সে বশীভূত হইবে।

৭. জিয়ল গাছের রস লাগাইলে পোড়া ঘা ভাল হইয়া যায়।

৮. জোনাকী পোকা পিষিয়া খাওয়াইলে রাতকানা রোগ ভাল হইয়া যায়।

৯. থানকুনী পাতার রস চোখে লাগাইলে চক্ষু উঠা রোগ ভাল হইয়া যায়।

১০. সরিষার তেলের সাথে লবন মিশ্রিত করিয়া নিয়মিত দাঁত মাজলে দাঁত ও মাড়ি মজবুত হয়।

১১. শেওড়া পাতার বোটার রস লাগাইয়া দাঁত মাজলে দাঁতের মাড়ির ফোলা রোগ ভাল হইয়া যায়।

১২. মুশুর ডাল ভিজানো পানি দ্বারা কয়েক দিন মাথা ধুইলে মাথার খুসকি দূর হয়।

১৩. বৃহদাকার মূল সঙ্গে রাখিলে সর্ব প্রকার বিপদ আপদ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

১৪. পান পাতার রস মাথায় মাখিলে মাথার উকুন মরিয়া যায়।

১৫. চিনি দিয়ে হালকা গরম দুধ খাইলে সহবাসে অধিক সময় পাওয়া যায়।

১৬. পুরুষাঙ্গে নিয়মিত মধু মালিশ করিলে পুরুষাঙ্গ লোহার মত মজবুত হয়।

১৭. মধুর সাথে সিরকা মিশ্রিত করে দাঁতে মাজন করিলে দাঁতের মাড়ি মজবুত হয়। মাড়ির ফুড়া ভাল হয় এবং দাঁত উজ্জল হয়।

১৮. গমের আটার সাথে মধু মিশ্রিত করে মলমের মত ফুড়া-পাচড়ায় প্রলেপ দিলে শিফা হয়।

১৯. খাঁটি গোলাপজলের সহিত মধু মিশ্রিত করিয়া চুলে প্রয়োগ করিলে উকুন মরিয়া যায়।

২০. জয়েন্টের মধ্যে ব্যথার স্থানে মধুর প্রলেপ দিলে বিশেষ উপকার পাওয়া যায়।

২১. পান করার জয়তুন তেল, বৃষ্টির পানি ও মধু এই তিনটি বস্তু একাত্রিত করিয়া পান করিলে ভয়ানক রোগ তথা দুরারোগ্য রোগ হইতে শিফা পাওয়া যায়।

২২. জয়তুন তেল যৌনাঙ্গে মালিশ করিলে দীর্ঘক্ষন স্ত্রী সঙ্গম করা যায়।

২৩. নিয়মিত মধু পান করিলে ও শুট চুর্ণ করিয়া মধুর সাথে মিশিয়ে যৌনাঙ্গে মালিশ করিলে হারানো যৌবন ফিরে পাওয়া যায়।

২৪. যে যুবক স্বপ্ন দোষের রোগে ভূগছে এবং ক্রমশ স্বাস্থ্যহানী হচ্ছে তাকে কালো ধুতুরার শিকড় তাবিজে ভরে কালো সুতোর ডোর দিয়ে কোমরে বেঁধে দিলে এই স্বপ্নদোষ রোগ সেরে যাবে।

২৫. নিয়মিত মধু, কিসমিস ও খেজুর খাইলে যৌন শক্তি বৃদ্ধি পায়।

২৬. কপালে পিঁয়াজের রস মর্দন করিলে মাথা ধরা রোগ আরোগ্য হয়।

২৭. মর্দামী শক্তি বৃদ্ধি ও পুর্নবহাল রাখার জন্য রাতে শয়নের পূর্বে এককোয়া বিশিষ্ট একটি পিঁয়াজ ও ১০-১৫টি কালো জিরার সাথে চিবাইয়া খাইলে ৮০ বছর পর্যন্ত মর্দামী শক্তি বহাল থাকে।

২৮. অশ্লেষা নক্ষত্রে বটগাছের পাতা এনে ঘরে রেখে দিলে কখনো অন্ন কষ্ট (খাদ্যের অভাব) হয় না।

২৯. অশ্লেষা নক্ষত্রে অশ্বথের তাজা পাতা ছিঁড়ে এনে তা ঘরের কোনো পবিত্র স্থানে রাখলে ঘরে কখনো ভাতের অভাব হয় না।

৩০. পুষ্য নক্ষত্রে সিংঘীর শিকড় তুলে আনিতে হইবে। সেই শিকড় কোমরে বেঁধে বিচার সভায় গেলে সবাই বশীভূত হইবে।

০১৭১৬-৩৮৬৯৫৮

What do you think?

0 points
Upvote Downvote

Comments

Leave a Reply

Loading…

0

Comments

0 comments

আশুরার ফজিলত ও আমল

দ্রব্যগুণ ও টোটকা চিকিৎসা (পর্ব এক)